১. لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ اللهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারি-কা লাহু, আল্লাহুম্মা লা মা-নিআ লিমা আ‘ত্বইতা, ওয়ালা মু‘ত্বিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়ালা ইয়ানফা‘উ যালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।’ অর্থ: ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো শরিক নেই। হে আল্লাহ, আপনি কাউকে দান করলে তার কোনো প্রতিরোধকারী নেই এবং আপনি কাউকে দান না করলে কেউ তাকে দান করতে পারে না। সম্পদশালীকে তার সম্পদ আপনার বিপরীতে উপকৃত করতে পারে না।’
২. اللّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلٰى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আ-ইন্নি আলা জিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিক’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনার জিকির, আপনার কৃতজ্ঞতা ও শোকর আদায় এবং সুন্দর করে আপনার ইবাদত করতে আপনি আমাকে সাহায্য করুন।’
উল্লেখিত দোয়াটির ব্যাপারে হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, একদিন রাসুলুল্লাহ (স.) তাঁর প্রিয় সাহাবী মুআজ বিন জাবাল (রা.)-এর হাত ধরে বললেন, ‘মুআজ! আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ মুআজ (রা.) তৎক্ষণাৎ উত্তর দিলেন, ‘আমার মা-বাবা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক! আল্লাহর কসম, আমিও আপনাকে ভালোবাসি।’ অতঃপর রাসুলুল্লাহ (স.) বললেন, মুআজ! আমি তোমাকে বলছি, কখনোই নামাজের পরে এ দোয়া পড়তে ভুল করো না।’ (মুসনাদে আহমদ: ২২১১৯; সুনানে আবু দাউদ: ১৫২৪)
৩. اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ ‘আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম তাবারকতা ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সম্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী।’
আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, নবী (স.) নামাজের সালাম ফেরানোর পর এই দোয়া পড়তেন। (আবু দাউদ: ১৫১২) আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উপরোক্ত তিনটি দোয়া নামাজের পর নিয়মিত পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।